Header Ads

Header ADS

Windows Keyboard -এর শটকার্ট ব্যবহার . এখন আপনিও হয়ে যাবেন টাইপিং এর Pro.

প্রিয় পাঠক, আসসালামুয়ালাইকুম
কেমন আছেন সবাই, আশা করি ভালো আছেন।
 "অনলাইন একাডেমীর" আর্টিকেলে আপনাকে স্বাগতম। 💐








⬛️ আমরা আজকে শিখবো।

কিছু উইন্ডোজ কিবোর্ড শর্টকাট, যা প্রত্যেকের জানা দরকার

সকল অপারেটিং সিস্টেম প্রায় সব প্রোগ্রামেই দ্রুত কাজ করার জন্য কিবোর্ড শর্টকাট দেয়া থাকে। সচরাচর ব্যবহারকারীরা মাত্র গুটিকয়েক কিবোর্ড শর্টকাট মনে রাখেন। কিন্তু কাজের সুবিধার্থে দরকারী কিছু কিবোর্ড শর্টকাট মুখস্থ করে রাখলে জীবন অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। তাই এই পোস্টে আপনাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উইন্ডোজ কিবোর্ড শর্টকাট সেগুলোর কাজ জানাচ্ছি, যা আপনার কম্পিউটারে কাজের গতি অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে।


1. Ctrl + A = সিলেক্ট অল। (All Select) নিশ্চয়ই জানেন, এই শর্টকাটটি এক্টিভ উইন্ডোতে থাকা সকল কনটেন্ট সিলেক্ট করে। তারপর আপনি Ctrl+S চাপ দিয়ে সেইভ, Ctrl+C চাপ দিয়ে কপি Ctrl+X চাপ দিয়ে কাট এবং Ctrl+V চাপ দিয়ে অন্য উইন্ডোতে গিয়ে পেস্ট করতে পারেন।

2. Ctrl + B = টেক্সট বোল্ড। (Bold)

3. Ctrl + C = কোন কিছু কপি করা। (Copy)

4. Ctrl + D = ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা।

5. Ctrl + E = সেন্টার এলাইনমেন্ট করা।

6. Ctrl + F = কোন শব্দ খোঁজা বা প্রতিস্থাপন করা। (Find World)

7. Ctrl + G = গো টু কমান্ড।

8. Ctrl + H = রিপ্লেস কমান্ড। (Replace)

9. Ctrl + I = টেক্সট ইটালিক। (Italic)

10. Ctrl + J = টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা। (Justify)

11. Ctrl + K = হাইপারলিংক তৈরী করা। (Hyperlink)

12. Ctrl + L = টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট করা। (Left Align)

13. Ctrl + M = ইনভেন্ট দেয়ার জন্য।

14. Ctrl + N = নতুন কোন ডকুমেন্ট খোলার জন্য। (New File)

15. Ctrl + O = পূর্বে তৈরী করা কোন ফাইল খোলার জন্য। (File Open)

16. Ctrl + P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট। (Print)

17. Ctrl + Q = প্যারাগ্রাফের মাঝে স্পেসিং করার জন্য।

18. Ctrl + R = টেক্সটকে রাইট এলাইনমেন্ট করা। (Right Align)

19. Ctrl + S = ফাইল সেভ। (Save)

20. Ctrl + T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য।

21. Ctrl + U = টেক্সট আন্ডারলাইন।(Underline)

22. Ctrl + V = টেক্সট পেষ্ট করার জন্য।(Paste)

23. Ctrl + W = ফাইল বন্ধ করার জন্য। (Close File) & এই কিবোর্ড শর্টকাটটি আপনার চালু থাকা উইন্ডো বন্ধ করে দেবে। আপনি যদি কোনো অফিস ডকুমেন্টে কাজ করতে থাকেন, তাহলে Ctrl+W চাপ দিলে প্রথমে আপনার ডকুমেন্টটি সেইভ করতে বলবে এবং তারপর এটি ক্লোজ করা যাবে।

24. Ctrl + X = ডকুমেন্ট থেকে কিছু কাট করার জন্য। (Cut)

25. Ctrl + Y = রিপিট করার জন্য। (Redo)

26. Ctrl + Z = আন্ডু বা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। (Undo) , উইন্ডোজ কম্পিউটারে কাজ করার সময় হঠাত ভুলে যদি কোনো ফাইল ডিলিট করে রিসাইকেল বিনে পাঠিয়ে দেন, তাহলে সাথে সাথে Ctrl এবং Z বাটন একত্রে চাপ দিন। এতে আপনার সেই মুছে যাওয়া ফাইল আগের স্থানে ফিরে আসবে। মাইক্রোসফট অফিস, ব্রাউজার সহ বেশিরভাগ প্রোগ্রামের সাথে (যেখানে ব্যবহারকারীর কিছু লেখা দরকার হয়) এই শর্টকাটটি কাজ করে। এটি মূলত সর্বশেষ সম্পন্ন কাজটিকে আনডু করে দেয়। Ctrl+Z যে কাজ করে, সেটিকে আনডু করতে Ctrl+Y চাপ দিতে পারেন।

27. কম্পিউটার Restart করতে  Ctrl+Alt+Delete

28. Ctrl+ESC Start Menu Open

29. Ctrl+ Home ডকুমেন্ট এর শুরুতে যাওয়া।

30. Ctrl+ End ডকুমেন্ট এর শেষে যাওয়া।

31. Ctrl+SHIFT+ESC টাস্ক ম্যানেজার।

32. Ctrl+TAB কোনো প্রোগ্রামের এক উইন্ডো থেকে অন্য উইন্ডোতে যাওয়া।

33. Ctrl+F4 একাধিক ডকুমেন্ট ইন্টারফেস সহ কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করা।

34. Ctrl+Alt+Delete পিসি হ্যাং করলে এই বিখ্যাত শর্টকাটটি চেপে উইন্ডোজের টাস্ক ম্যানেজার প্রোগ্রাম চালু করার অপশন পাবেনসেখান থেকে হ্যাং হওয়া অ্যাপ বন্ধ করা যাবে এছাড়া পিসি লক করাবন্ধ করা কিংবা সাইনআউটের অপশনও পাওয়া যাবে।

34. Shift+ Delete সরাসরি ফাইল ডিলিট করা।

35. Shift+ Right Click: অতিরিক্ত শর্টকাট সহ মেনু।

36. Shift+ double click: বিকল্প ডিফল্ট কমান্ড।

37. Shift+F10: নির্বাচিত আইটেমের জন্য শর্টকাট মেনু।

38. Shift অটোরান বন্ধ করতে এটি চেপে ধরে রাখুন।

39. Shift+Windows Logo + M মিনিমাইজ আনডু করা।

কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় নানা অংশের মধ্যে অন্যতম কি-বোর্ড। কি-বোর্ডে থাকা নানা ধরনের বোতামের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন কাজ। একেবারে ওপরের সারিতে যে বোতামগুলো আছে, সেগুলো বাঁ দিক থেকে শুরু হয়েছে F1 দিয়ে। শেষ হয়েছে F12 দিয়ে। এগুলো ফাংশন কি। প্রায় প্রতিটি সফটওয়্যারে এগুলোর বিশেষ কিছু কাজ রয়েছে। তাই জানানো হচ্ছে এখানে।

40. F1

এই ফাংশন কি উইন্ডোজের সব জায়গায় হেল্প মেনু হিসেবে কাজ করে থাকে। আপনি যদি কোনো প্রোগ্রামে কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ কোনো অংশের কাজ না পারেন বা কোনো সাহায্যের প্রয়োজন পড়ে, তাহলে F1 চাপলে সেই প্রোগ্রামের সাহায্যে পর্দায় চালু হয়ে যাবে। হেল্প দেখে সেই বিষয় শিখে নিতে পারবেন। SHIFT + F1 চাপলে সংবেদনশীল সাহায্য সেবা বিন্যাস আকারে প্রকাশ পাবে। CTRL + ALT + F1 চাপলে মাইক্রোসফট সিস্টেম তথ্য দেখা যাবে।

41. F2

এটি ব্যবহার করে যেকোনো ফাইল, ফোল্ডারের নাম বদলানো (রিনেম) যায়। যেকোনো ফোল্ডার নির্বাচন করে F2 চাপলে সেই ফোল্ডারের নামবদলের সুযোগ পাবেন। ওয়ার্ডে এই ফাংশন কির কিছু উল্লেখযোগ্য ব্যবহার রয়েছে। Alt + Ctrl + F2 চাপলে পুরোনো ডকুমেন্ট ফাইল খোলা যাবে। Ctrl + F2 চেপে প্রিন্ট নমুনা (প্রিভিউ) দেখা যাবে। ALT + SHIFT + F2 চাপলে ফাইল সেভ করা যাবে। SHIFT + F2 চেপে লেখা কপি করা যাবে। F2 কি চেপে কোনো কোনো মাদারবোর্ডের বায়োস সেটাপে ঢোকা যায়।

42. F3

কম্পিউটারে কাজ করার সময় কোনো তথ্য খুঁজে নিতে হলে F3 চাপতে হবে। এমএস-ডসের নির্দেশনা আবার দেখানোর কাজে F3 ব্যবহার হয়। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা নির্বাচন করে Shift + F3 কি চাপলে নির্বাচিত অংশের লেখা ছোট হাতের থেকে বড় হাতের লেখায় পরিণত হবে।

43. F4

ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার চালু করে F4 চাপলে ওয়েব ঠিকানা লেখার জায়গায় হিস্ট্রি (সাম্প্রতিক সময়ে দেখা ওয়েবসাইটের তালিকা) দেখাবে। ALT + F4 চাপলে উইন্ডোজে চালু থাকা যেকোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করা যাবে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে F4 কি চাপলে সর্বশেষ কাজ পুনরায় হবে (আনডু)। SHIFT + F4 চাপলে Find or Go To কাজ করবে। CTRL + F4 চাপলে চালু থাকা ডকুমেন্টসের উইন্ডো বন্ধ হবে।

45. F5

এটি চাপলে চালু থাকা উইন্ডোজ রিফ্রেশ হবে। ইন্টারনেট দেখার সফটওয়্যারে F5 চাপলে ওয়েবসাইটের ওই পাতা আবার আসবে (লোড হবে)। পাওয়ার পয়েন্টে F5 চেপে স্লাইডশো দেখা যায়। ওয়ার্ডে F5 কি চাপলে Find and replace window চালু হবে। SHIFT + F5 চেপে আগের রিভিশনে ফিরে যাওয়া যায়। CTRL + SHIFT + F5 চাপলে Bookmarks সম্পাদন করা যাবে। ALT + F5 চাপলে ওয়ার্ড প্রোগ্রাম বন্ধ হবে।

46. F6

এই কি চাপলে কারসর ইন্টারনেট ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেস বার) চলে যাবে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে CTRL + F6 কি চাপলে চালু থাকা সব ডকুমেন্টকে পর্যায়ক্রমে দেখাবে। Ctrl + Shift + F6 চাপলে আরেকটি ওয়ার্ড ডকুমেন্ট চালু হবে।

47. F7

উইন্ডোজে এই কির খুব বেশি কাজ নেই। তবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে SHIFT + F7 কি চাপলে এর অভিধান থেকে সমার্থক শব্দ খুঁজে নেওয়া যাবে।

48. F8

উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় এই কি চাপলে উইন্ডোজ সেফ মুডে কাজ শুরু করবে। ওয়ার্ডে Shift + F8 চাপলে নির্বাচিত অংশকে সংকোচন করা যায়। ALT + F8 চাপলে ম্যাক্রো চালু হবে।

49. F9

এটি চাপলে উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারের আওয়াজ (ভলিউম) বাড়ানো যায়। ওয়ার্ডে CTRL + F9 কি চাপলে ফাঁকা ক্ষেত্র তৈরি হবে।

50. F10

এটি চাপলে উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারের ভলিউম কমানো যায়। F10 চাপলে অধিকাংশ প্রোগ্রামের মেনু বার দেখায়। যেকোনো ফোল্ডার নির্বাচন করে Shift + F10 চাপলে শর্টকাট মেনু দেখাবে।

51. F11

যেকোনো ইন্টারনেট ওয়েব ব্রাউজারে F11 চাপলে সেটি পর্দাজুড়ে (ফুলস্ক্রিন) দেখাবে। মাইক্রোসফট এক্সেলে Shift + F11 চাপলে নতুন স্প্রেডশিট খোলা যাবে। CTRL + F11 চাপলে নতুন ম্যাক্রো ওয়ার্ডবুকে যোগ হবে।

52. F12

অভ্র বাংলা কি-বোর্ড বাংলা/ইংরেজি লেখা যাবে F12 কি চেপে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Ctrl + Shift + F12 কি চেপে যেকোনো ডকুমেন্টস প্রিন্ট করা যাবে। Shift + F12 কি চাপলে ওয়ার্ড ডকুমেন্ট সেভ করা যাবে।

53. Alt+Tab

এই শর্টকাট প্রেস করলে স্ক্রিনে আপনার সকল চালু থাকা অ্যাপের প্রিভিউ দেখা যাবে। সেখান থেকে দ্রুত কোনো একটা অ্যাপে ক্লিক করে সেটাতে কাজ করতে পারেন। Win+Tab শর্টকাটও প্রায় একই কাজ করে, তবে এখানে কীবোর্ড চাপ দিয়ে ছেড়ে দিলেও প্রিভিউগুলো থেকে যায়।

54. Alt+F4 প্রোগ্রাম বন্ধ করা।

55. Alt+Space মেইন উইন্ডো সিস্টেম মেনু দেখা।

56. Winldows Logo+PrtScn

এই শর্টকাট আপনার পিসির পুরো স্ক্রিনের স্ক্রিনশট নিয়ে সি ড্রাইভের পিকচার্স ফোল্ডারে একটি ইমেজ আকারে সেইভ করে রাখবে। আর ক্লিপবোর্ডেও ছবিটি থাকবে, যা পেইন্ট প্রোগ্রাম ওপেন করে পেস্ট করে এডিট করতে পারবেন।

57. Windows Logo+L

এটি আপনার পিসির স্ক্রিন লক করে দেবে। ফলে পিসি আবার ব্যবহার করতে চাইলে পাসওয়ার্ড এন্টার করে আনলক করে নিতে হবে। পাসওয়ার্ড আগে থেকে দেয়া না থাকলে শুধু সাইন-ইন বাটনে ক্লিক করে এন্টার দিলেই হবে।

58. Windows Logo+M সব প্রোগ্রাম মিনিমাইজ করা।

59. Windows Logo+F Files অথবা Folders খোজাঁ।

60. Windows Logo+V ক্লিপবোর্ড চালু করা।

61. Windows Logo+K Keyboard Properties ডায়ালগ বক্স চালু করা।

62. Windows Logo+I Mouse Properties ডায়ালগ বক্স চালু করা।

63. BACKPACE পূর্ববর্তী ফোল্ডারে যাওয়া, (ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্ষেত্রে পুর্বের পেইজ

63. Home বর্তমান লাইনের শুরুতে যাওয়া।

64. End বর্তমান লাইনের শেষে যাওয়া।

আমাদের আর্টিকেল গুলো যদি আপনাদের ভালো লাগে যদি কিছু শিখে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন এবং অন্য কেউ শিখতে সহযোগিতা করবেন
ভালো থাকবেন, ভালো লাগলে আবার আসবেন ❤️









কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.